কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানীতে নলকূপ স্থাপনের সময় নির্গত গ্যাসে লাগা আগুন টানা পাঁচ দিন ধরে জ্বলছে। এ ঘটনায় ভূগর্ভে গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মজুত থাকার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গ্যাসের উৎস, পরিমাণ ও প্রকৃতি নিশ্চিত হতে বাপেক্স ও পেট্রোবাংলা ১৫ দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২৭ অক্টোবর জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানী ছোট খাল ব্রিজসংলগ্ন একটি বাড়িতে প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে পাইপ প্রবেশ করানোর পর গ্যাস বের হতে শুরু করে এবং পরে তাতে আগুন ধরে যায়।
দুর্ঘটনার আশঙ্কায় উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলের ২০০ মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। আগুন জ্বালানো, ধূমপান, দিয়াশলাই বা লাইটার ব্যবহার এবং স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে এমন কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পেট্রোবাংলা নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছে। কাঁটাতারের বেড়া, লাল পতাকা ও মাইকিংয়ের পরও আগুন দেখতে এবং ছবি-ভিডিও ধারণ করতে মানুষের ভিড় পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
পেট্রোবাংলার প্রাথমিক ধারণা, উৎসটি অগভীর গ্যাসের মজুত বা শ্যালো রিজার্ভার হতে পারে এবং গ্যাসটি থার্মোজেনিক ও বায়োজেনিক প্রকৃতির হতে পারে। ১৫ দিন পর আগুনের শিখা একই থাকলে বা বাড়লে সাইড ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। পরে বাপেক্স থ্রিডি ভূকম্পন জরিপ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক মজুতের সম্ভাবনা যাচাই করবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।