রাজবাড়ী জেলায় লাম্পি স্কিন রোগ ছড়িয়ে শত শত গরু আক্রান্ত হচ্ছে এবং চিকিৎসার অভাবে অনেক পশু মারা যাচ্ছে। খামারমালিক ও সাধারণ গরু পালনকারীরা চিকিৎসা ব্যয় এবং পশুহানিতে আর্থিক সংকটে পড়েছেন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কাছে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নেই। জনবল সংকটের কারণে মাঠপর্যায়ের সচেতনতামূলক কার্যক্রমও পর্যাপ্তভাবে চালানো যাচ্ছে না বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ উপজেলায় গরুর খামার ১৬ হাজার ১২১টি এবং মোট গরু রয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৯২টি। গত অর্থবছরে সরকারিভাবে ৬ হাজার ৫০০ ডোজ এলএসডি টিকা সরবরাহ করা হলেও জেলায় চাহিদা প্রায় দেড় লাখ ডোজ। বিভিন্ন কোম্পানির টিকার প্রতি অ্যাম্পুলের দাম দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা হওয়ায় অনেক পালনকারী টিকা দিতে আগ্রহী নন।
সদর উপজেলায় ছয় মাসে এ রোগে ২০টি গরু মারা গেছে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি; বড় গরুর তুলনায় বাছুর বেশি আক্রান্ত হয়। কর্মকর্তারা বলেন, মশা, মাছি ও আঁঠালির মাধ্যমে রোগটি ছড়ায় এবং বর্ষার শুরুতে প্রকোপ বাড়ে। সুস্থ গরুকে টিকা দেওয়ার মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণের কিছু সুযোগ রয়েছে। খামার পরিদর্শন ও উঠান বৈঠকে টিকা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।