ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদের লেখা একটি বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ‘আমার দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এতে ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের শেষ পর্যায়ের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে ব্রিটিশদের দ্রুত ভারত ত্যাগের সিদ্ধান্তে প্রশাসনিক প্রস্তুতি তাড়াহুড়ো করে সম্পন্ন হয় এবং সীমান্ত নির্ধারণ গোপনে পরিচালিত হয়। ১৮ জুলাই পাস হওয়া ‘ভারত স্বাধীনতা আইন’ ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন ডোমিনিয়ন গঠন করে। র্যাডক্লিফ কমিশন মাত্র পাঁচ সপ্তাহে পাঞ্জাব ও বাংলার সীমান্ত নির্ধারণ করে, যা রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সহিংসতা বাড়িয়ে তোলে।
নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজনৈতিক দরকষাকষি, সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও ব্রিটিশদের তাড়াহুড়ো সিদ্ধান্ত উপমহাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অ্যালেক্স ভন তুনজেলম্যানের ‘ইন্ডিয়ান সামার’ বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে চট্টগ্রাম পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত হওয়া নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটও তুলে ধরা হয়েছে। কংগ্রেস, মুসলিম লীগ ও ব্রিটিশ প্রশাসনের পারস্পরিক দ্বন্দ্বে পূর্ববঙ্গ অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল অবস্থায় পড়ে।
প্রবন্ধটি উপসংহারে জানায়, তাড়াহুড়ো ও গোপনীয়তার কারণে ভারত ভাগ দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার বীজ বপন করে, যার প্রভাব এখনো বিদ্যমান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।