বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য ২৫টি বোয়িং ও ১০টি এয়ারবাসসহ ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির আগে সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। রোববার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সদস্যরা উড়োজাহাজগুলোর সম্ভাব্য রুট, যাত্রী চাহিদা, পরিবহন সক্ষমতা এবং ক্রয়প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা সম্পর্কে জানতে চান।
বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কয়েকটি ধাপ রয়েছে এবং সব উড়োজাহাজ দেশে আসতে ২০৪০ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সফট লোনের মাধ্যমে কেনার অর্থ পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে এবং উড়োজাহাজ পরিচালনা থেকে অর্জিত আয় দিয়ে ব্যয় নির্বাহ সম্ভব হবে। ৩০ এপ্রিল ১৪টি বোয়িং, ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আরও ১১টি বোয়িং এবং ৭ অক্টোবর ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি হয়।
বৈঠকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের প্রকৃত ব্যয় ও ১৬ ডিসেম্বর চালুর সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। কমিটি কেনাকাটা, বদলি, নিয়োগ ও বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা তদারকিতে পাঁচ সদস্যের সাবকমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে এবং সিভিল অ্যাভিয়েশনের অগ্রগতি ও কেনাকাটা নিয়ে প্রতিবেদন চেয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।