আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে বাতিল হওয়া অধ্যাদেশগুলো পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করা হবে। তিনি বলেন, যারা মনে করেন সরকার শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বা বিচারপতি নিয়োগে স্বচ্ছতা চায় না, তাদের জন্য এটি একটি স্পষ্ট বার্তা। বিএনপি তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এসব আইনকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও যুগোপযোগী করতে চায়। জনগণের যেকোনো যৌক্তিক দাবি বিএনপির কাছে সর্বাধিক গুরুত্ব পায়।
রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক জারিকৃত ১৩৩টি অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়। পরে সংসদ সর্বসম্মতিক্রমে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে এসব অধ্যাদেশ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠায়।
বিশেষ কমিটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ২ এপ্রিল সংসদে প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে সংসদে উত্থাপিত হয় এবং এ নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।