যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপর্যয় দেশের সীমানার বাইরে ইরান, ইসরাইল ও ইউক্রেনের জন্যও প্রভাব ফেলতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তেহরানের সঙ্গে তিনি সমঝোতা করবেন নাকি সংঘাত বাড়াবেন, ইসরাইলের প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থন কতটা কমবে এবং রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের শর্ত মানতে ইউক্রেনকে কতটা চাপ দেওয়া হবে—এসব প্রশ্ন এখন আলোচনায় রয়েছে।
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেছেন, রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পেছনে ইরান যুদ্ধের কিছু ভূমিকা ছিল। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স যুদ্ধকেই পরাজয়ের কারণ বলেছেন। ইরান ফলাফলকে যুদ্ধবিরোধী জনমত হিসেবে দেখলেও সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে বড় পরিবর্তনের আশা নাকচ করেছেন। একই সময়ে কাতারি মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক আলোচনা আবার গতি পেয়েছে, যদিও তেহরান বিস্তৃত প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
নির্বাচনের দিন ট্রাম্প ইসরাইলে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দেন, যা ইসরাইলের নেতাদের উদ্বিগ্ন করেছে। ইউক্রেনের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কও দ্রুত খারাপ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ইউক্রেনের প্রতিনিধি সের্গি কিসলিতিসয়া বলেছেন, ওয়াশিংটনে যে-ই ক্ষমতায় থাকুক, কিয়েভ স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখতে এবং প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পেতে চেষ্টা চালাবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।