পূর্বাচলের ৩০০ ফিট-সংলগ্ন পুলিশ অফিসার্স হাউজিং-১ এলাকায় অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের মালিকানাধীন বাড়িতে ১৯ অক্টোবর রাতে অভিযান চালিয়ে ৮৫ জনকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। অংশগ্রহণকারীদের পুলিশি অভিযান হবে না বলে আশ্বাস দিয়ে ডাকা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৫৯ পুরুষকে ৩০ দিনের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা করে জরিমানা এবং ২৬ নারীকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা করে জরিমানা করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাড়ির মালিক আব্দুল্লাহ আল জহিরকে ওএসডি করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তাঁর পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হবে না, অপরাধের ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। সামনে আসা আমন্ত্রণবার্তায় অনুষ্ঠানটিকে ব্যক্তিগত রেভ পার্টি বলা হয় এবং বাড়িটি পুলিশের একজন ডিআইজির হওয়ায় অভিযানের আশঙ্কা নেই বলে জানানো হয়। নিরাপত্তায় পুলিশ সদস্য থাকার কথাও বলা হয়েছিল। বাড়িটি জন্মদিনের পার্টির কথা বলে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা মাদক সেবন, নাচ-গান এবং মাদকসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম দেখার দাবি করেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানের আগে বা সময় কিছু মাদক ফ্লাশ করে বা সরিয়ে ফেলা হয়ে থাকতে পারে। রাত আড়াইটার পর উত্তরা বিভাগের ডিসি ইলিয়াস কবীরের নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়। ঘটনাস্থল ভাটারা থানার ও ডিবির গুলশান বিভাগের আওতাধীন হলেও অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ডিবির উত্তরা বিভাগকে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।