২০২৪ সালের ২৭ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ হেফাজতে নেয়। এর আগে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও আবু বাকের মজুমদারকেও নেওয়া হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই পদক্ষেপ কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে।
তৎকালীন ডিবির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. জুনায়েদ আলম সরকার বলেন, সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও সহিংসতা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য পাঁচজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শিক্ষকরা উদ্বেগ জানিয়ে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি তোলেন। এইচআরএফবিও হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধে সতর্কতার আহ্বান জানায়।
সমন্বয়করা আটক শিক্ষার্থীদের মুক্তি, সব মামলা প্রত্যাহার এবং সহিংসতার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাসহ তিন দাবি দিয়ে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। ২৭ জুলাই রাত পর্যন্ত আন্দোলন ঘিরে দেশে ৭৩৬টির বেশি মামলা ও সাত হাজারের বেশি গ্রেপ্তারের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তারা ২৮ জুলাই থেকে প্রচার, দূতাবাসে দলিল পেশ ও দেওয়াল লিখনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।