ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাতে আমার দেশ জানিয়েছে, চীন নীরবে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ভ্লাদিমির পুতিন ও তার ঘনিষ্ঠ বৃত্তের বাইরে রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক বিস্তার করছে। বেইজিং এমন রুশ কর্মকর্তা ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, যারা পুতিনের পরবর্তী সময়ে মস্কোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারেন। তবে চীন এমন কোনো প্রকাশ্য পদক্ষেপ নিচ্ছে না, যা পুতিনকে দুর্বল করার ইঙ্গিত দিতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা কর্মকর্তারা রাশিয়াকে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখছেন এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখে ক্রেমলিনের বাইরের গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ ও পশ্চিমাদের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে পড়ার পর রাশিয়ার অর্থনৈতিক নির্ভরতা চীনের ওপর আরও বেড়েছে। বর্তমানে রাশিয়ার বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৪০ শতাংশ চীনের সঙ্গে, যা ২০১৩ সালে ছিল প্রায় ১০ শতাংশ।
মধ্য এশিয়া ও পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২ গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পেও চীনের প্রভাব বাড়ছে। গ্যাসের দাম নিয়ে মতবিরোধের কারণে প্রকল্পটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়াকে চীনের ওপর আরও নির্ভরশীল করে তোলার সুযোগ এখন বেইজিংয়ের হাতে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।