গম আমদানি কেলেঙ্কারির মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার কারাগারে রয়েছেন এবং তৎকালীন সচিব ইসমাইল হোসেনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে রাশিয়াপ্রবাসী মিঞা সাত্তার, যিনি ন্যাশনাল ইলেকট্রিক গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, এখনো অধরা। প্রতিবেদনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের আগস্টের আগে রাশিয়া থেকে প্রায় ১১ লাখ টন গম আমদানিতে তাঁর প্রতিষ্ঠান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আনা গমের প্রোটিন মান সাড়ে ১১ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছিল। জিটুজি চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারী থাকার নিয়ম না থাকলেও ন্যাশনাল ইলেকট্রিক গ্রুপকে কমিশন এজেন্ট করা হয় বলে অভিযোগ। দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া জানান, তদন্ত শেষ পর্যায়ে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করার মতো নথি পাওয়া গেছে; যাচাই শেষে যে কোনো সময় প্রতিবেদন দেওয়া হতে পারে।
ন্যাশনাল ইলেকট্রিক গ্রুপের এমডি আমিরুজ্জামান সোহেল রূপপুর, বাপেক্স ও গম আমদানির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন। জনসংযোগ কর্মকর্তা নূর নবী সিদ্দিক সুইনও নিম্নমানের গমের অভিযোগ প্রমাণিত নয় বলে দাবি করেন। প্রতিবেদনে ইউক্রেনের পাঠানো চিঠির কথা উল্লেখ করে চোরাই গম কেনার অভিযোগ ও সম্ভাব্য বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকির কথাও বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।