বুধবার ভোরে সৌদি আরবের আকাশে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হাফার আল-বাতিন এলাকায় দুটি ড্রোন ও প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসের দিকে ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিহত করেছে। সবগুলো আকাশেই ধ্বংস করা হয় এবং কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। একই সময়ে ইরান, লেবানন, কুয়েত, বাহরাইন ও হরমুজ প্রণালিতে সামরিক তৎপরতা বেড়েছে।
ইরানের পুলিশপ্রধান আহমেদ-রেজা রাদান সতর্ক করে বলেছেন, বিদেশি আহ্বানে বিক্ষোভে নামলে তাদের শত্রু হিসেবে গণ্য করা হবে। এর আগে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানিদের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে আহ্বান জানান। এরপর ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের তেল আবিবের কাছে আঘাত হানে, যাতে কয়েকজন আহত হন। একই সময়ে ইসরাইল বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালায়।
কুয়েত ও বাহরাইনও ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনা জানিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাতা ঠেকাতে তারা ইরানের ১০টি নৌকা ধ্বংস করেছে। এসব ঘটনার ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।