মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ইউনিভার্সাল বেসলাইন ট্যারিফ’ সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করেছে। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানায়, ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল ইমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট ব্যবহার করে জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে অর্থনৈতিক জবরদস্তি করেছেন। এই রায়ের ফলে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর সঙ্গে করা পাল্টা শুল্ক চুক্তিগুলো কার্যকারিতা হারিয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
রায় ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্প ‘ট্রেড অ্যাক্ট ১৯৭৪’-এর ধারা ১২২ অনুযায়ী নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন, ফলে বাংলাদেশের শুল্ক ১৯ শতাংশ থেকে কমে ১০ শতাংশ হয়। তবে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, এই আইনে ১৫০ দিনের মধ্যে শ্রম ও পরিবেশগত মান যাচাই শেষে শুল্ক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা পূর্ববর্তী চুক্তিকে অসম ও জবরদস্তিমূলক বলে সমালোচনা করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই নতুন করে আলোচনায় না গিয়ে বাংলাদেশের উচিত অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি জোরদার করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত প্রক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।