Web Analytics

জাপান ভারতের আম আমদানি স্থগিত করেছে, আর চীন তিনটি ভারতীয় চাল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের আমদানি লাইসেন্স বাতিল করেছে। ১২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, লক্ষ্ণৌর রেহমানপুর গ্রামের ভিএইচটি কেন্দ্রে জীবাণুমুক্তকরণ, কীটনাশক নিয়ন্ত্রণ ও সনদ প্রক্রিয়ায় ত্রুটি পাওয়ার পর জাপানি কোয়ারেন্টাইন পরিদর্শকেরা আম নিয়ে আপত্তি তোলেন। ইয়োকোহামার উদ্ভিদ সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ ২৫ মার্চ বা তার পর ইস্যু করা পরিদর্শন সনদযুক্ত ভারতীয় আমের চালান না নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

স্থগিতাদেশে আলফানসো, কেসার, ল্যাংড়া, বানগানাপল্লি, চৌসা ও মাল্লিকাসহ ছয় ধরনের আম প্রভাবিত হয়েছে। এপ্রিল-জুনের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি মৌসুমে এ পদক্ষেপ কার্যকর হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাপান ভারত থেকে প্রায় ১৫ লাখ ৪০ হাজার ডলারের তাজা ও প্রক্রিয়াজাত আম আমদানি করেছিল। রপ্তানিকারক বিক্রম শাহ ও চাষি রাজেশ পাতিল বলেন, জাপানের কঠোর বাজারে প্রবেশের জন্য তারা সময়, অর্থ, বাগান ব্যবস্থাপনা ও প্যাকেজিংয়ে বিনিয়োগ করেছিলেন।

চীন ১৭ এপ্রিল জিএমও উপস্থিতির অভিযোগে তিন চাল রপ্তানিকারকের লাইসেন্স বাতিল করে। হংকং কীটনাশক অবশিষ্টাংশের কারণে কিছু ভারতীয় মশলা নিষিদ্ধ করেছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারতীয় জিরার নজরদারি বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বিচ্ছিন্ন সরবরাহ শৃঙ্খল, দুর্বল ট্রেসেবিলিটি ও পরীক্ষাব্যবস্থাকে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বাণিজ্য বিভাগের কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার ঘোষ জানান, ল্যাবের মানোন্নয়ন ও কঠোর নজরদারির পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।