ভারতে ঐতিহাসিক মসজিদ, মাদরাসা ও ওয়াকফ সম্পত্তি ধ্বংস এবং মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণের অভিযোগ তুলে জাতিসংঘ, ওআইসি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার কার্যকর কূটনৈতিক ভূমিকা চেয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে উচ্ছেদ ও সড়ক সম্প্রসারণের অজুহাতে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে শতাব্দীপ্রাচীন মুসলিম ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে ঐতিহাসিক শাহী মসজিদের অংশবিশেষ ভাঙার কথা উল্লেখ করে নেতারা অভিযোগ করেন, স্থানীয় মুসলিমদের প্রতিবাদ প্রশাসনিক বলপ্রয়োগ, দমন-পীড়ন ও গ্রেপ্তারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
ছাত্রশিবিরের নেতারা উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে আইনি প্রক্রিয়া ও বিচারিক নির্দেশনা পাশ কাটিয়ে স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ করেন এবং একে ‘বুলডোজার নীতি’ বলেন। তারা সিএএ, এনআরসি বিতর্ক ও ওয়াকফ সংশোধন আইন, ২০২৫ নিয়ে উদ্বেগ জানান। ভারতের সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক আইন মানা এবং বৈষম্যমূলক ও দমনমূলক নীতি পরিহারের আহ্বানও জানানো হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।