যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার আলোচনা চললেও তেহরান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর অবস্থান নিয়েছে। রয়টার্সকে দেওয়া তিনটি উচ্চপদস্থ সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের আলোচনার ভঙ্গি উল্লেখযোগ্যভাবে বদলেছে এবং ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এখন নীতিনির্ধারণে আরও প্রভাবশালী ভূমিকা রাখছে। তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, যেকোনো ফলপ্রসূ আলোচনায় বসতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের ছাড় দিতে হবে।
সূত্রগুলো জানায়, ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যতে সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার নিশ্চয়তা, যুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালির ওপর আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ। ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি নিয়ে কোনো সীমাবদ্ধতা আলোচনায় না আনার বিষয়েও ইরান অনড়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিন সপ্তাহ ধরে তেহরানের সঙ্গে জোরালো আলোচনা চলছে, তবে ইরান তা অস্বীকার করে বলেছে, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের সঙ্গে কেবল প্রাথমিক যোগাযোগ হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠক হতে পারে বলে জানা গেছে, যেখানে ইরানের প্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অংশ নিতে পারেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষমতা আইআরজিসির হাতেই থাকবে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।