কলকাতায় শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী নিজের হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটের বাসভবন থেকে বাম, অতিবাম ও জাতীয় শক্তিগুলোকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানান। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি ‘শত্রুর শত্রুকেই বন্ধু’ ভাবতে প্রস্তুত বলে ঘোষণা দেন। এই আহ্বান আসে এমন এক সময়ে, যখন নির্বাচনী বিপর্যয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে।
প্রতিবেদনটি মমতা ব্যানার্জীর পঞ্চাশ বছরের রাজনৈতিক পথচলা তুলে ধরে—১৯৮৪ সালে সোমনাথ চ্যাটার্জীকে পরাজিত করা থেকে শুরু করে ২০১১ সালে বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের শাসন শেষ করে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তী সময়ে দুর্নীতি, প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও জনপ্রিয়তার ভাটায় তার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন তার সামনে চ্যালেঞ্জ দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা, অভিষেক ব্যানার্জীর বিতর্ক সামলানো এবং বিরোধী নেত্রী হিসেবে নিজেকে পুনর্গঠন করা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তার ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে দলের টিকে থাকা, নেতৃত্বের পুনর্গঠন এবং বিজেপির ভুলগুলোকে কাজে লাগানোর দক্ষতার ওপর।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।