প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১৭ ফেব্রুয়ারি গঠিত বিএনপি সরকার প্রথম ছয় মাসে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বৃদ্ধি, হাসপাতাল উন্নয়ন ও জনবল নিয়োগসহ বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগে অগ্রগতির দাবি করেছে। তবে ১৫ মার্চ থেকে ছড়িয়ে পড়া হামের প্রাদুর্ভাবে জটিলতাসহ ৯৬০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যাও নতুন করে বাড়ছে। উৎসে বলা হয়েছে, মানসম্মত সেবার ঘাটতি, জনবল সংকট, প্রশাসনিক জটিলতা এবং শহর-গ্রামের চিকিৎসাবৈষম্য এখনো বড় সমস্যা।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা, বা জিডিপির ১ দশমিক ০২ শতাংশ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগের অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। ১৯২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনা, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পাস, হাসপাতাল নিরাপত্তা এবং অবকাঠামো সংস্কারেও অগ্রগতির কথা জানানো হয়েছে। তবে টিএপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায় পাঁচ জেলায় ই-হেলথ কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়নি।
৫ হাজার নতুন এমবিবিএস চিকিৎসক ও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। পাঁচটি ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল অক্টোবরে একসঙ্গে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা কিছু পদক্ষেপকে ইতিবাচক বললেও ওষুধ, পরিচ্ছন্নতা, রোগীকেন্দ্রিক সুবিধা, জবাবদিহি ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত উন্নতির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।