রাজশাহীর তানোর, গোদাগাড়ী ও পবা উপজেলার মাঠে আগাম জাতের আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। গত বুধবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকদের ধান কাটতে, আঁটি বাঁধতে এবং মাড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে দেখা গেছে। পাকা ধানের সোনালি শীষে ভরে উঠেছে মাঠ। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে বিশেষ করে তানোর ও গোদাগাড়ীতে কৃষকেরা এবার বাম্পার ফলনের আশা করছেন।
কৃষকেরা বলছেন, তুলনামূলক কম রোগবালাই ও পোকার আক্রমণে ধানের গাছ ও শীষ ভালো হয়েছে। তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল জলিল জানান, মৌসুমের শুরুতে কম বৃষ্টিতে উদ্বেগ থাকলেও পরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফসল ভালো হয়েছে। পবার কৃষক রজব আলী ভালো ফলনে পরিবারের খাদ্যচাহিদা মেটানো ও ধান বিক্রির আশা করছেন, তবে উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারদর নিয়ে উদ্বিগ্ন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে ৮৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ এবং তিন লাখ ১৪ হাজার ৩৩৬ টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আমন ঘরে তোলার পর অনেক কৃষক একই জমিতে আলু, সরিষা, পেঁয়াজসহ রবি শস্য আবাদ করবেন। কর্মকর্তারা পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছেন, তবে ধান পুরোপুরি ঘরে ওঠার আগে অতিবৃষ্টি, ঝড় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।