বাংলাদেশ সরকার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র্যাব বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সংসদে বিল পাস হয়েছে বলে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর র্যাব বিলুপ্তির দাবি ওঠে এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পুলিশ প্রশাসন ও সংস্কারবিষয়ক কমিটিও বাহিনীটি বিলুপ্তির সুপারিশ করে।
নিবন্ধে ২০০৪ সালে র্যাব গঠনের পটভূমি এবং সন্ত্রাস দমনে এর প্রাথমিক ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্রসফায়ারে মৃত্যু, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ, সদস্যদের অনিয়ম এবং নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মতো ঘটনায় র্যাবের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র র্যাবের সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
লেখকের মতে, এসআরবির সাফল্য নির্ভর করবে বাহিনীটি স্বাধীন ও পেশাদারভাবে কাজ করতে পারে কি না তার ওপর। বিভিন্ন বাহিনী থেকে ডেপুটেশনে সদস্য নেওয়ার বদলে পৃথক নিয়োগ ও বিশেষ প্রশিক্ষণের সুপারিশ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রেক্ষাপটে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এসআরবিকে দ্রুত সক্রিয় করার কথাও বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।