প্রাথমিক স্তরে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ, প্লে, নার্সারি, কেজি-১ ও কেজি-২সহ অননুমোদিত প্রাক-প্রাথমিক কোর্স নিষিদ্ধ এবং এনসিটিবি অনুমোদিত বইয়ের বাইরে অতিরিক্ত বই চাপানো বন্ধের দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিস দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন বৃহস্পতিবার জনস্বার্থে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষ ও এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নোটিস পাঠান।
নোটিসে পাঁচ দিনের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলা হয়েছে, তা না হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হবে। এতে সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদ ও প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন, ১৯৯০ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন, গণমুখী ও বাধ্যতামূলক করার নীতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষায় বাণিজ্যিক প্রবণতা বৃদ্ধির অভিযোগ তোলা হয়েছে।
নোটিসে বলা হয়, একাধিক প্রাক-প্রাথমিক স্তর এবং অতিরিক্ত বই শিশুদের ওপর পড়াশোনার চাপ বাড়াচ্ছে, যা শৈশব, মানসিক বিকাশ ও সৃজনশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। অতিরিক্ত বই চাপানো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিবন্ধন বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এবং উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে তদারকি দল গঠনেরও দাবি জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।