বাংলাদেশ বন বিভাগ ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এই সময়ে বনের নদী, খাল ও জলাশয়ে মাছ ধরা, কাঁকড়া ও মধু আহরণ এবং পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বন বিভাগ জানিয়েছে, জুন থেকে আগস্ট সুন্দরবনের মাছ, জলজ প্রাণী ও বন্যপ্রাণীর প্রধান প্রজনন মৌসুম হওয়ায় এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। ইতিমধ্যে জেলে, মৌয়াল ও পর্যটকদের নতুন পাস প্রদান বন্ধ করা হয়েছে এবং সবাইকে বন ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে এবং ২০২১ সাল থেকে প্রতিবছর তিন মাসের জন্য তা প্রযোজ্য। তবে সুন্দরবননির্ভর জেলে, মৌয়াল ও বনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, এই সময়ে আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা ঋণের বোঝায় পড়েন এবং সরকারি সহায়তা পান না। তারা খাদ্য সহায়তা ও বিশেষ প্রণোদনা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।
বন বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা ও প্রণোদনার প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, অনুমোদন পেলে সহায়তা দেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।