ইরান-ইসরাইল উত্তেজনা ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির সম্ভাব্য বন্ধের আশঙ্কায় ফিলিপাইন এক বছরের জন্য ‘জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে। প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র সতর্ক করেছেন যে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এখন আসন্ন বিপদের মুখে। সরকার ইতিমধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়, ভর্তুকি এবং সাধারণ মানুষের জন্য নগদ সহায়তার বৃহৎ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিলিপাইনের ৯৮ শতাংশ জ্বালানি হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে আসে, ফলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া তাদের সামনে কোনো পথ নেই। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির দেশগুলোর জন্যও সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা পরিবহন, কৃষি ও শিল্প খাতে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
লেখক পরামর্শ দিয়েছেন, বাংলাদেশকে অন্তত তিন মাসের কৌশলগত জ্বালানি মজুত গড়ে তোলা, বিকল্প আমদানির কূটনৈতিক পথ তৈরি করা এবং দেশীয় গ্যাস ও কয়লা অনুসন্ধান দ্রুততর করতে হবে। পাশাপাশি সৌর ও বায়ুশক্তি ব্যবহারে জোর দেওয়া এবং কঠোর জ্বালানি সাশ্রয় নীতি বাস্তবায়নকেও অপরিহার্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।