গাজা যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বদলে দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বরাজনীতির ক্ষমতার ভারসাম্য, আন্তর্জাতিক আইন এবং পশ্চিমা দেশগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বর্তমান যুদ্ধ শুরু হয় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে হামলার মাধ্যমে। ওই হামলায় ইসরাইলের প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত এবং ২৫১ জন জিম্মি হন। জবাবে ইসরাইল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে; এতে প্রাণহানি, বাস্তুচ্যুতি এবং ঘরবাড়ি ও অবকাঠামোর বড় ধরনের ধ্বংস হয়।
সংঘাতটি লেবানন, সিরিয়া, ইরান, ইয়েমেন ও উপসাগরীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে আঞ্চলিক সংকটকে জটিল করেছে। এর প্রভাব জ্বালানি নিরাপত্তা, নৌবাণিজ্য পথ, বিনিয়োগ, শরণার্থী পরিস্থিতি ও বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও পড়ছে। ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রে সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের ওপর পশ্চিমা জোরের সঙ্গে গাজায় ইসরাইলের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু দেশের সমর্থনের তুলনা করে দ্বৈত নীতির অভিযোগ উঠেছে।
যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে পারেনি। যুদ্ধবিরতি উদ্যোগের দিন ইসরাইলি হামলায় অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার কথা চিকিৎসাকর্মীরা জানান। ইসরাইল হামাস সদস্যদের লক্ষ্য করার কথা বললেও হামাস যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করে। স্থায়ী সমাধানের জন্য বেসামরিক নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা, জিম্মি ও আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে সমাধান, পুনর্গঠন এবং ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক অধিকারকে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।