যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে মিশিগানের তরুণ ডেমোক্র্যাট নেতা ড. আব্দুল এল সাইদ জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় উঠে এসেছেন। তিনি নির্বাচনে জিতলে মার্কিন সিনেটের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সদস্য হবেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। মিশিগানের রচেস্টার হিলসে ১৯৮৪ সালে মিসরীয় অভিবাসী মা-বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া এল সাইদ গত বছর সিনেট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ওয়েন কাউন্টি স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালকের পদ ছাড়েন।
এল সাইদ চিকিৎসাবিদ্যায় এমডি এবং জনস্বাস্থ্যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মহামারিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। ২০১৫ সালে ৩০ বছর বয়সে তিনি ডেট্রয়েট স্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী পরিচালক হন; প্রতিবেদনে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহরের স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বকনিষ্ঠ পরিচালক বলা হয়েছে। তার প্রচারে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, আবাসন সংকট সমাধান ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে ‘জিহাদি’ আখ্যা দিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ তুলেছেন। এল সাইদ অভিযোগ অস্বীকার করে ট্রাম্পের মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক জরিপে তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের চেয়ে এগিয়ে এবং তরুণ, মধ্যবিত্ত, অভিবাসী ও মিশিগানের বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে তার সমর্থন রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।