ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আলি আবদোল্লাহি বলেছেন, ইরানের ওপর নতুন কোনো আগ্রাসন হলে আগের চেয়ে কঠোর ও ভয়াবহ জবাব দেওয়া হবে। তিনি জানান, শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তু ও সম্পদের একটি নতুন তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যা ভৌগোলিক সীমা ছাড়িয়ে বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে। সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি নতুন হুমকির জবাবে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন।
আবদোল্লাহি বলেন, সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনা সামরিক কমান্ডার ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। তিনি বলেন, ইরানের ভূখণ্ড ও জনগণের সুরক্ষায় বাহিনী প্রস্তুত এবং যেকোনো ধরনের ও মাত্রার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তারা লড়াই চালিয়ে যাবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে আধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে শক্তিশালী মোকাবিলার প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সামরিক পরিকল্পনায় বিস্তৃত অঞ্চলের নতুন শত্রু লক্ষ্যবস্তু ও সম্পদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন চমক দেখানো হবে। ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, ভবিষ্যৎ হামলার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট ডেটা সেন্টার, যোগাযোগের সাবমেরিন কেবল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামো সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে। সূত্রে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া আগ্রাসনের জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।