বাংলাদেশজুড়ে ভোক্তারা সরকার নির্ধারিত ১,৮৩৭ টাকার বদলে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ২,২০০ থেকে ২,৩০০ টাকায় কিনছেন। গত ৪ অক্টোবর প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান সরকারের সাড়ে সাত মাসে সামগ্রিকভাবে এ জ্বালানির দাম ৩৫ শতাংশ বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাইপলাইনের গ্যাস সংকটের কারণে এক কোটির বেশি গ্রাহকের অনেকেই এলপিজিনির্ভর হয়ে পড়েছেন।
খুচরা বিক্রেতাদের ভাষ্য, কোম্পানিগুলো চাহিদামতো সিলিন্ডার সরবরাহ না করায় তারা বিকল্প পথে বাড়তি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। পাইকারি বিক্রেতারা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খুচরা বিক্রেতাদের কাছে আগে থেকে মজুত থাকায় তারা নতুন গ্যাস নিতে আগ্রহী নন। অপারেটরদের দাবি, দেশে পর্যাপ্ত এলপিজি রয়েছে এবং কিছু ডিস্ট্রিবিউটর, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতা মজুত করে বেশি দামে বিক্রি করছেন। এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে কয়েকটি বড় কোম্পানির বিরুদ্ধে সরবরাহ আটকে কৃত্রিম সংকট তৈরির সন্দেহের কথা উঠে এসেছে।
জ্বালানি বিভাগের প্রতিবেদনে ওমেরা, পেট্রোমেক্স, মেঘনা ও যমুনা দেশের এলপিজি বাজারের ৬৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে বলে জানানো হয়েছে। পাঁচ দফা দরপত্রের পরও সরবরাহকারী না পাওয়ায় বিপিসি গত সাড়ে সাত মাসে কোনো এলপিজি আমদানি করতে পারেনি। সরকার মোংলায় মজুত ট্যাংক এবং টাঙ্গাইলে মজুত ও বটলিং প্ল্যান্ট স্থাপনের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।