Web Analytics

বাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকরা তীব্র গরম, মেশিনের তাপ, সীমিত বায়ু চলাচল এবং উৎপাদনচাপের কারণে পানিশূন্যতা ও তাপজনিত অসুস্থতার বাড়তি ঝুঁকিতে রয়েছেন। চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ের শ্রমিকেরা জানিয়েছেন, পানি পানের স্থান দূরে হওয়া এবং টয়লেট বিরতিতে কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় তারা অনেক সময় পানি কম পান করেন। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ও ওকাপের যৌথ গবেষণায় গরম মৌসুমে ৬৬ শতাংশ শ্রমিকের হিট ইগজোশনে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

আটটি পোশাক কারখানায় ছয় মাসের তাপমাত্রা পরিমাপভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি সাত শ্রমিকের একজন হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার দিকে পৌঁছান। এমন পরিস্থিতিতে পড়া প্রতি ২০ শ্রমিকের মধ্যে ১৯ জন চিকিৎসাসেবা পান না। মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব ও অতিরিক্ত ঘাম নিয়মিত উপসর্গ হিসেবে পাওয়া গেছে। গবেষণায় ৫৬.৬ শতাংশ শ্রমিকের দিনে মাত্র একটি বিরতি এবং ৪৭.২ শতাংশের ইচ্ছাকৃতভাবে পানি কম পানের তথ্যও এসেছে।

বাংলাদেশের শ্রম আইনে বিশুদ্ধ পানি ও পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের বিধান থাকলেও কর্মস্থলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নির্ধারিত নেই। গবেষণায় ৬২.৩ শতাংশ কারখানায় মধ্যাহ্নে কাজ বন্ধ না হওয়ার এবং ৬৯.৮ শতাংশ কারখানায় গরমে সময়সূচি না বদলানোর তথ্য পাওয়া গেছে। তাপজনিত চাপে জরিপভুক্ত কারখানাগুলোতে কর্মঘণ্টাভিত্তিক উৎপাদনশীলতা গড়ে ৪.১ শতাংশ কমেছে।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।