রংপুরের বদরগঞ্জে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে যমুনেশ্বরী নদী থেকে ড্রেজার বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কোটি কোটি টাকার বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল এবং নাগেরহাট এলাকার বালু পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাসিক সভায় আলোচনা হলেও কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।
অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা সবুজ মেম্বার, বিএনপির সহসভাপতি অহিদুল ইসলাম, কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা সোহাগ সোনার এবং লোহানীপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব আমির হামজার নাম এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবাদকারীদের প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনাও ঘটে। গত ২০ আগস্ট রাতে নাগেরহাট বাসস্ট্যান্ডের অবৈধ বালু বিক্রির অফিসে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবিসংবলিত ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়।
প্রতিবাদকারী ছাত্রদল সদস্য আল-আমিনকে মারধরের অভিযোগের পর ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে আমির হামজার মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি পরিতোষ চক্রবর্তী অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের কথা বললেও স্থানীয়দের ভাষ্য, চার দিন পরও কার্যক্রম চলছিল। বদরগঞ্জ থানার ওসি হাসান জাহিদ সরকার বলেন, উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।