কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই কিশোর আসামিকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হলেও অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় ফাহাদ ও কামরুলকে সংশোধনাগারে পাঠানোর অনুমতি দেন আদালত। রোববার রাতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সোমবার তাদের টঙ্গীতে পাঠানো হবে বলে জানান কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার।
অন্য দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকবেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিয়ামকে এ মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আদালত সূত্র জানায়, সিয়াম ছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া অপর তিন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
গত শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তোলার কথা বলে সে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। পরে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় জিডি করেন। পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি পাহাড়ি ঝোপ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার লাশ উদ্ধার করে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।