২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে টেলিযোগাযোগ খাতে বড় ধরনের কর ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যার লক্ষ্য এই খাতকে জাতীয় ‘থ্রাস্ট সেক্টর’ হিসেবে গড়ে তোলা। বাজেটে মোবাইল সিমের ওপর আরোপিত ৩০০ টাকার সুনির্দিষ্ট কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে সরকারের রাজস্ব প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা কমবে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) আদায়কৃত রেভিনিউ শেয়ার, লাইসেন্স ফি ও অন্যান্য চার্জের ওপর ২০ শতাংশ উৎসে করও প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। মোবাইল হ্যান্ডসেট উৎপাদনে ব্যবহৃত ২২ ধরনের কাঁচামালের আমদানিতে কর কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
মোবাইল উৎপাদন ও সংযোজন খাতে মূসক অব্যাহতির মেয়াদ ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের ৯০ শতাংশ জনগণের কাছে ৫জি সেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং শহর ও গ্রামে ১০০ এমবিপিএস থেকে ১ জিবিপিএস গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, টেলিকম খাতে কর, ভ্যাট ও লাইসেন্সিং নীতিতে সংস্কার আনা হবে যাতে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।
বর্তমানে আইসিটি ও টেলিকম খাত জিডিপিতে ১–২ শতাংশ অবদান রাখলেও আগামী পাঁচ বছরে তা ১০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।