যুক্তরাষ্ট্রের মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করায় ওয়াশিংটনে ইসরাইলের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, রিপাবলিকান নেতারা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও রাজনৈতিক সমর্থন নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষকে দলের পরাজয়ের কারণ হিসেবে দেখছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের জরিপে প্রতি ১০ জন ভোটারের প্রায় ৬ জন ইরান যুদ্ধে জড়ানোর সিদ্ধান্তকে ভুল বলেছেন। এর চেয়েও বেশি ভোটার ভোটদানে জীবনযাত্রার ব্যয়কে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করেছেন। মিশিগানে ইসরাইলকে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের আহ্বান জানানো ডেমোক্র্যাট সিনেটর বিজয়ী আবদুল আল-সাইয়েদ বিপুল অর্থ ব্যয় সত্ত্বেও জয়ী হন। তাঁর প্রচারের প্রধান বিষয় ছিল স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনযাত্রার ব্যয়।
কংগ্রেস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডেমোক্র্যাটরা গাজায় মার্কিন অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে শুনানি, তদন্ত এবং নির্দিষ্ট অস্ত্র বিক্রি সীমিত করার উদ্যোগ নিতে পারেন। ট্রাম্প বলেছেন, চলতি বছরের পর ইসরাইলকে বার্ষিক সামরিক সহায়তা বন্ধ হবে, তবে বিস্তারিত দেননি এবং অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত রাখার কথাও বলেছেন। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, প্রেসিডেন্টের ভেটো ক্ষমতা ও দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সম্পর্ক বড় পরিবর্তন সীমিত করতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।