একটি মতামতধর্মী নিবন্ধে বলা হয়েছে, কথিত মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদানের প্রশ্নটি ভারতের উদ্বেগ নয়, বাংলাদেশের নিজস্ব নিরাপত্তার আলোকে বিবেচনা করা উচিত। লেখাটি দাবি করেছে, বাংলাদেশে এ নিয়ে আলোচনায় ভারতের নিরাপত্তা-ঝুঁকির বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। এতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়ালের ২৮ আগস্টের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, ভারত তার নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
নিবন্ধে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে নিউ ইয়র্ক সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে তার বৈঠকের কথা ছিল বলেও এতে উল্লেখ করা হয়। ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য উদ্ধৃত করে লেখাটি বলেছে, ইরান এই জোটকে তার বিরুদ্ধে মনে করে না এবং বাংলাদেশ যোগ দিলেও উদ্বিগ্ন নয়।
লেখাটির ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ আগস্ট সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মক্কা চুক্তি স্বাক্ষর করে। এতে চুক্তিটিকে সৌদি আরবের যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কমানোর একটি উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তুরস্ক ও পাকিস্তান ইরানের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় জোটটি ইরানবিরোধী হবে না বলেও নিবন্ধে যুক্তি দেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।