ভূতত্ত্ববিদদের মতে, নেপাল ও তিব্বতের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যার পেছনে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধস ও হিমবাহ ধসের সম্মিলিত ভূমিকা থাকতে পারে। এসব ধস থেকে সৃষ্ট পানি ও কাদার প্রবল স্রোত কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ভবন ও স্থাপনা গ্রাস করতে পারে। তাই বিপদ শনাক্ত করে স্থানীয় মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া কঠিন হয়।
সাধারণত হিমবাহঝুঁকি পর্যবেক্ষণে নির্দিষ্ট হিমবাহ-হ্রদের পানির উচ্চতা দেখা হয়। ইউনিভার্সিটি অব আলাস্কার অধ্যাপক এরান হুড বলেন, এ কাজে রিয়েল-টাইম ভিডিও, লেজার দিয়ে পানির উচ্চতা মাপা এবং মাঠপর্যায়ের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ব্যবহার করা হয়। তবে আকস্মিক পাহাড়ধসের পূর্বাভাসে বিস্তীর্ণ ও দুর্গম এলাকায় ঘন এবং ব্যয়বহুল পর্যবেক্ষণব্যবস্থা প্রয়োজন।
২০২০ সালের এক প্রতিবেদনে নেপালে ২ হাজার ৭০টি হিমবাহ-হ্রদের কথা বলা হয়েছে, যার ২১টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ। নেপালের সতর্কীকরণ ব্যবস্থা মূলত নদী ও হ্রদের গেজ নেটওয়ার্কনির্ভর। বিশেষজ্ঞরা সচেতনতা বৃদ্ধি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নির্মাণ নিয়ন্ত্রণ এবং স্পষ্ট সরিয়ে নেওয়ার পথ নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।