২০২৬ সালের ১৯ মার্চ পেন্টাগনে এক ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়, যেখানে বলা হয়েছিল পেন্টাগন ইরান যুদ্ধের জন্য অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছে। হেগসেথ জানান, প্রতিবেদনে উল্লেখিত ২০০ বিলিয়ন ডলারের অঙ্কটি পরিবর্তিত হতে পারে এবং ভবিষ্যতের প্রয়োজন মেটাতে যথাযথ অর্থায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বলেন, ‘খারাপ লোকদের হত্যা করতে অর্থ লাগে’, যা দিয়ে তিনি সামরিক ব্যয়ের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়েই ইরানের গ্যাসক্ষেত্রে হামলা হয়েছে, যদিও ট্রাম্প তা অস্বীকার করেছেন। হেগসেথ দাবি করেন, যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা বেড়েছে, আর ইরানের কমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তেলের দাম ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কাতারের এলএনজি স্থাপনা পুনরুদ্ধারে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে।
এই পরিস্থিতি ইঙ্গিত দেয় যে, যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক উত্তেজনা ও জ্বালানি বাজারের ঝুঁকি মোকাবিলায় সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।