চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে অর্থ জোগানোর অভিযোগে ১৫ জন স্থানীয় ব্যবসায়ীকে নজরদারিতে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক এক পরিচালক আওয়ামীপন্থি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহ করে মাঠপর্যায়ে নারী কর্মীদের মাধ্যমে অর্থ বিতরণ করছেন। এমনকি কারাবন্দি নেতাদের পিসি কার্ডেও নিয়মিত টাকা জমা দেওয়া হচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ এই অর্থ প্রবাহ পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে।
সূত্র জানায়, নিষিদ্ধ সংগঠনটি চট্টগ্রাম নগরীকে দুই ভাগে ভাগ করে ঝটিকা মিছিল ও নাশকতার পরিকল্পনা করছে। সাদমান ও জনি নামে দুই প্রশিক্ষিত ক্যাডার মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আর বিদেশে পলাতক সাবেক মন্ত্রী ও এক সাবেক এমপি এসব কর্মকাণ্ড তদারক করছেন। সম্প্রতি জিইসি ও অক্সিজেন এলাকায় বড় মিছিলের পর পুলিশ ৬৮ জনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের কাছ থেকে সংগঠনের অর্থায়ন ও সমন্বয় সংক্রান্ত তথ্য পায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও বিরোধী দলগুলোর বিভাজন নিষিদ্ধ সংগঠনটিকে আরও সাহসী করে তুলেছে। তারা ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক ঐক্য পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন যাতে অস্থিতিশীলতা রোধ করা যায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।