সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করেছেন আবদুল আল-সাইয়েদ। এর মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নির্বাচিত প্রথম মুসলিম হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। লেখাটি এই ফলকে বিত্তশালী দাতা, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য এবং বিভাজনমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরেছে। চিকিৎসক ও সাবেক জনস্বাস্থ্য নেতা আল-সাইয়েদ জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব হ্রাস এবং সবার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-সাইয়েদ ইসরাইলকে নিঃশর্ত মার্কিন সামরিক সহায়তার বিরোধিতা করেন এবং সরকারি অর্থ আমেরিকানদের কল্যাণে ব্যয়ের পক্ষে কথা বলেন। এতে বলা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মুসলিম পরিচয়, নাম ও পারিবারিক পটভূমিকে লক্ষ্য করে বারবার আক্রমণ করেন। জবাবে আল-সাইয়েদ বলেন, ট্রাম্প লাই ডিটেক্টরের মধ্য দিয়ে যেতে রাজি হলে তিনিও মেটাল ডিটেক্টরের মধ্য দিয়ে যেতে প্রস্তুত।
সূত্রে বলা হয়েছে, এআইপ্যাকের সহযোগী ইউনাইটেড ডেমোক্রেসি প্রজেক্ট প্রাইমারিতে প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যালি স্টিভেন্সকে সমর্থন ও আল-সাইয়েদের বিরোধিতায় প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে। তবু তিনি ডেমোক্রেটিক মনোনয়ন পান। এখন তার প্রধান চ্যালেঞ্জ নির্বাচনি অঙ্গীকারকে আইন ও মানুষের জীবনের বাস্তব উন্নতিতে রূপ দেওয়া।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।