রংপুরের তারাগঞ্জে যমুনেশ্বরী ও চিকলী নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপজেলার অন্তত ১৫টি স্থানে ড্রেজার ও ভেকু মেশিন দিয়ে দিন-রাত বালু তোলা হচ্ছে। এতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেচ প্রকল্প, একটি গুচ্ছগ্রাম, দুটি সংযোগ সেতু, নদীতীরের বসতভিটা এবং শত শত একর কৃষিজমি চরম ঝুঁকিতে পড়েছে।
শুষ্ক মৌসুমে তারাগঞ্জসহ আশপাশের তিন উপজেলার কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদের জন্য প্রকল্পটির পানি ব্যবহার করা হয়। নদীতীর ঘেঁষে বালু তোলায় প্রকল্পের মূল স্থাপনা ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নদীর তলদেশ থেকে বালু অপসারণের ফলে পাড়ে বড় ফাটল ও ভাঙনও দেখা দিয়েছে। খোলাইঘাটে চিকলী নদী থেকে বালু তোলার স্থানটির কাছেই সরকারি গুচ্ছগ্রাম, বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ-সৈয়দপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের দুটি সেতু ও সেচ প্রকল্পটি রয়েছে।
গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দারা বলেন, প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অনুরোধ করেও স্থায়ী সমাধান পাননি। এক কৃষক জানান, পাড় ধসে তাঁর কয়েকটি ফলদ গাছ নদীতে চলে গেছে এবং কৃষিজমি হুমকিতে রয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমাউল হুসনা বলেন, অভিযোগ পেলেই অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়, তবে রাতের অন্ধকারে ও দুর্গম এলাকায় বালু উত্তোলন বন্ধে সবার সহযোগিতা এবং নিয়মিত মামলার প্রয়োজন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।