আবদুল গনি রোডের বর্তমান বাংলাদেশ সচিবালয় শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্যমেলার মাঠে স্থানান্তরের সরকারি সিদ্ধান্তকে ঘিরে জমির মালিকানা বিরোধ ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়েছে। ১৮ অক্টোবর মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয় এবং ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন স্থানে সচিবালয়ের কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বলছে, জমিটি তাদের নামে রেকর্ডভুক্ত সরকারি সম্পত্তি; শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, এটি কৃষি গবেষণার জন্য বরাদ্দ পাওয়া তাদের জমির অংশ।
জমি ফেরতের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ২৭ অক্টোবর থেকে আন্দোলন করছেন। মাটি পরীক্ষার সময় তারা যন্ত্রপাতি ও গাড়ি জব্দ করেন, সড়ক অবরোধ করেন এবং পরে অনির্দিষ্টকালের বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন ঘোষণা করেন। সব পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। চীন মৈত্রী সিগন্যালে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অবস্থানের কারণে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ২৯ অক্টোবর যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাতীয় যুব মেলাসহ মাঠের সব ধরনের মেলা স্থগিতের ঘোষণা দেন।
স্থাপত্য অধিদপ্তর শেরেবাংলা নগরের মূল মহাপরিকল্পনা অক্ষুণ্ণ রাখার সুপারিশ করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে গাজীপুরের সালনায় বরাদ্দ জমিতে স্থানান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে। পরিকল্পিত নতুন সচিবালয় হবে প্রায় ৩১ দশমিক ৫৮ একর জমিতে, যেখানে ১৪টি ১২ তলা ভবন, তিনটি বেজমেন্ট এবং ৩ হাজার ৮০০ গাড়ির পার্কিং থাকবে। প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ সবুজায়ন ও জলাধারের জন্য রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।