জিবুতির মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত অতিলবণাক্ত আসাল হ্রদ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫৫ মিটার নিচে এবং আফ্রিকার সর্বনিম্ন স্থলভূমিতে অবস্থিত বলে উৎসে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি জিবুতি শহরের পশ্চিমে আফ্রিকার অন্যতম উষ্ণ ও শুষ্ক অঞ্চলে অবস্থিত। হ্রদের পানির লবণাক্ততা সমুদ্রের পানির তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি এবং প্রতি লিটার পানিতে ৩৫০ গ্রামের বেশি লবণ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
উৎস অনুযায়ী, আগ্নেয় কর্মকাণ্ড ও ভূপৃষ্ঠের উত্থান-পতনের ফলে প্রায় ১০ থেকে ৪০ লাখ বছর আগে হ্রদটি বর্তমান রূপ পায়। আরও প্রাচীন এক ভূতাত্ত্বিক যুগে এটি সমুদ্রসমতলে ছিল বলেও গবেষণার তথ্য উদ্ধৃত করা হয়েছে। হ্রদের আশপাশে ভূমির চ্যুতি ও আগ্নেয় কর্মকাণ্ড এখনো রয়েছে এবং অঞ্চলটি আগ্নেয়গিরি ও কালো লাভা ক্ষেত্রে ঘেরা।
হ্রদের আশপাশে ভূ-উত্তাপ সংগ্রহের জন্য কূপ খনন করা হয়েছে। উৎসে বলা হয়েছে, ভূগর্ভস্থ উত্তপ্ত পানি ব্যবহারকারী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। উষ্ণ প্রস্রবণের তাপমাত্রা ৩৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়। তাপে পানি শুকিয়ে উৎপাদিত লবণ দেশের চাহিদা মিটিয়ে বছরে ছয় মিলিয়ন টন বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।