ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের কৃষকেরা আশঙ্কা করছেন, সার ঘাটতির কারণে এ মৌসুমে ফসলের ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বিপর্যয় দেখা দেয়। এর প্রভাবে ভারতে প্রাকৃতিক গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং সরকার সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ ৩০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত ইতোমধ্যেই ভারতের সার সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে ইউরিয়া সারের ক্ষেত্রে। যদিও এর বেশিরভাগ দেশেই উৎপাদিত হয়, উৎপাদন নির্ভর করে আমদানিকৃত গ্যাসের ওপর। পাঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকেরা আশঙ্কা করছেন, খরিফ মৌসুমে সার ঘাটতি ধান ও তুলার ফলনে প্রভাব ফেলবে। সরকার বলছে, কারখানাগুলো স্বাভাবিকভাবে চলছে এবং গত বছরের তুলনায় বেশি সার মজুত রয়েছে।
তবুও ক্ষুদ্র কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ কাটছে না। তারা ইতোমধ্যেই লোকসান ও ঋণের চাপে আছেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে শ্রীলঙ্কার মতো সার সংকট ভারতে কৃষি খাতকে বিপর্যস্ত করতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।