যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানে বিক্ষোভ দমনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে অপসারণের আহ্বান জানান এবং মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেন। যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে তার পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস এবং আঞ্চলিক প্রভাব কমানোর দাবি জানিয়েছে। ইরান এসব দাবিকে সরকার পরিবর্তনের হুমকি হিসেবে দেখছে এবং তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে ‘লাল রেখা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন হামলা ইরান ও পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। এতে ইরানের শাসকগোষ্ঠী আরও শক্তিশালী হতে পারে বা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে। ইরান হামলার প্রতিশোধে আঞ্চলিক মিত্রদের মাধ্যমে পাল্টা আঘাত হানতে পারে, যা ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোকে সংঘাতে জড়াতে পারে।
প্রবন্ধে সতর্ক করা হয়েছে, এমন সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি এবং ইউরোপমুখী শরণার্থী প্রবাহ বাড়িয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।