ঢাকার কেরাণীগঞ্জে সরকারি কর্মসূচির আওতায় খারাকান্দি ও দীঘিরপাড় খাল পুনঃখনন প্রকল্পে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ এবং মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। দুটি প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ছিল ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৭ হাজার ৩৬৬ টাকা। গত ৩০ জুলাই ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯৭ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত জমা দেওয়া হয়। কাজ শেষ হওয়ার আগেই ২৩ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত ১৩টি ভাউচারে ১ কোটি ৫৫ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫৭ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, খারাকান্দি খাল খনন কমিটির সভাপতি আউয়াল শিকদার ৫৯ লাখ টাকা এবং দীঘিরপাড়ে যন্ত্রপাতি ভাড়াবাবদ এন জাহান ট্রেডের জাহিদ হোসেন ৪৮ লাখ টাকা পেয়েছেন। এ দুই খাতে ১ কোটি ৭ লাখ টাকার ব্যয়ের তথ্য থাকলেও উত্তোলিত অর্থের বাকি ৪৮ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫৭ টাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা খারাকান্দির বিভিন্ন অংশে প্রয়োজনীয় খনন না হওয়া এবং দুই খালের মাটি বিক্রির অভিযোগ করেছেন।
পিআইও রাশেদ খান বলেন, ভ্যাট ও আয়কর বাদ দিলে উত্তোলিত অর্থ ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা থাকে। তিনি ৮০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকার মাটি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সরকারি দরপত্র অনুযায়ী মাটি বিক্রি হয়েছে এবং সেই অর্থ খনন ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। ইউএনও উমর ফারুক জানান, অভিযোগের বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে এবং তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।