Web Analytics

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে খামারি ও গৃহস্থরা ২৩ হাজার ১৩৩টি কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছেন, যা স্থানীয় চাহিদা ১৭ হাজার ২২০টির তুলনায় প্রায় ৬ হাজার বেশি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৬ শতাধিক খামারি ও পরিবার এসব পশু লালন-পালন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ১৩ হাজার ১২৬টি গরু (ষাঁড় ৯ হাজার ২০টি, বলদ ১ হাজার ৫০১টি, গাভী ২ হাজার ৬০৫টি), ৯ হাজার ৫০৫টি ছাগল, ৪২০টি ভেড়া ও ৮২টি মহিষ।

দেবীগঞ্জে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে গবাদিপশু পালনের প্রবণতা বেড়েছে। অনেক পরিবারও ঘরোয়া পদ্ধতিতে কোরবানির ঈদকে ঘিরে পশু পালন করছে। খামারিরা জানিয়েছেন, খাদ্য ও পরিচর্যার খরচ বেড়েছে, তবে ঈদের বাজারে ভালো দামের আশা করছেন তারা। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পশুর কোনো সংকট নেই এবং নিরাপদ পশু নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি চলছে।

ভাউলাগঞ্জ, টেপ্রীগঞ্জ, লক্ষীরহাট ও কালীগঞ্জসহ স্থানীয় হাটগুলোতে ইতোমধ্যে পশু উঠতে শুরু করেছে। পাশের নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বসুনিয়ার হাটেও দেবীগঞ্জের পশু বিক্রি হবে। প্রশাসন নিরাপত্তা ও জাল টাকা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।