যুক্তরাষ্ট্রে ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় ২১ কোটি নিবন্ধিত ভোটার কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পদে ভোট দেবেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যালটে না থাকলেও ফলাফল তার বাকি মেয়াদে আইন প্রণয়ন, সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং নীতিনির্ধারণে প্রশাসনের সক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে। প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন এবং সিনেটের ৩৫টি আসনে ভোট হচ্ছে; এর মধ্যে ফ্লোরিডা ও ওহাইওর বিশেষ নির্বাচনও রয়েছে।
বর্তমানে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডেমোক্র্যাটদের তিনটি এবং সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে নিট চারটি আসন বাড়াতে হবে। সিনেটে আসন ৫০-৫০ হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সিদ্ধান্তমূলক ভোটে নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের থাকবে। জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানি, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন অধিকার, অভিবাসন ও গণতন্ত্রের অবস্থা ভোটারদের গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ।
ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেলে আইন আটকে দেওয়া, প্রশাসনের তদন্ত এবং ব্যয়ের ওপর প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাবেন। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেলে প্রেসিডেন্টের মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন। পূর্বাঞ্চলে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় ভোটকেন্দ্র বন্ধের পর প্রাথমিক ফল আসতে শুরু করবে, তবে ডাকযোগে ও সাময়িক ব্যালট গণনার কারণে চূড়ান্ত ফল পেতে কয়েক দিন বা সপ্তাহ লাগতে পারে। জর্জিয়ায় কোনো প্রার্থী সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট না পেলে ১ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফার ভোট হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।