উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে তিস্তা নদীর বাঁধ ভেঙে দেশের উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সোমবার নতুন সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে এবং নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুরের কিছু অংশ সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পানি বিশেষজ্ঞরা এই হঠাৎ বন্যার জন্য ভারতের উজানে ভারী বৃষ্টি ও একতরফা পানি ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন।
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাদী জানান, তিস্তার পানির চাপে বাঁধ ভেঙে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি ভারতের পানি আগ্রাসনকে দায়ী করে বলেন, এই পরিস্থিতিতে কৃষকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, দেশে নয়, বরং উজানে ভারী বৃষ্টির কারণে নদীর পানি বেড়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা আরও পাঁচ দিন স্থায়ী হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জুনে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টি হলেও ২৭ জুন থেকে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে, যা বন্যা পরিস্থিতি আরও জটিল করতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।