কলকাতার নিউ মার্কেট-সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর গত ৪৮ ঘণ্টায় দুই শতাধিক হোটেল ও গেস্ট হাউস সিলগালা বা বন্ধের নোটিস দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পৌরসভা, দমকল ও পুলিশ বিভাগের এই অভিযানে চিকিৎসা বা ভ্রমণে আসা হাজার হাজার বাংলাদেশি তীব্র আবাসন সংকটে পড়েছেন। প্রতিবেদনে অগ্নিকাণ্ডে নয়জনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে, যাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি।
সদর স্ট্রিট, মার্কুইস স্ট্রিট, লিন্ডসে স্ট্রিট ও মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলপাড়া সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা ও আশপাশের নানা সুবিধার কারণে বাংলাদেশি পর্যটকদের পরিচিত। পর্যটক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় বহু অবৈধ হোটেল চলছে এবং সেখানে অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি বের হওয়ার পথ, পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল ও নিরাপদ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার ঘাটতি রয়েছে। একজন বাংলাদেশি পর্যটক জানান, আগুনের সময় তিনি হোটেলের বাথরুমে আশ্রয় নেন এবং দমকলকর্মীরা তাকে উদ্ধার করেন।
অগ্নিকাণ্ড তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং হোটেল ও গেস্টহাউসগুলোর আইনি বৈধতা যাচাই শুরু হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, খোলা থাকা অল্প কয়েকটি হোটেলে কক্ষভাড়া দুই থেকে তিন গুণ বেড়েছে। অনেকে সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরতে স্থানীয় ট্রাভেল এজেন্সিতে ভিড় করছেন। পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, মানুষের জীবন সুরক্ষাই প্রশাসনের অগ্রাধিকার, তবে বৈধ কাগজপত্র থাকা পর্যটকেরা যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।