বাংলাদেশ সরকার বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে। গত ৭ মে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ‘বাংলাদেশ অফশোর মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কনট্রাক্ট (পিএসসি) ২০২৬’ অনুমোদন দেওয়ার পর এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব উৎপাদন বাড়ানো।
কর্মকর্তারা জানান, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির পরও বাংলাদেশ এতদিন সামুদ্রিক সম্পদ কাজে লাগাতে পারেনি। কনোকোফিলিপস, ওএনজিসি, সান্তোস ও পস্কো দাইয়ুর মতো আন্তর্জাতিক কোম্পানির পূর্ববর্তী অনুসন্ধান কার্যক্রম নানা কারণে বন্ধ হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার না হলে ১২ বছরের মধ্যে দেশের গ্যাস মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে।
পেট্রোবাংলা ও সরকারি নীতিনির্ধারকরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন অনুসন্ধান উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দশকের স্থবিরতা কাটিয়ে বাংলাদেশ জ্বালানিতে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে যাবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।