চলমান তাপপ্রবাহের মধ্যে শনিবার পটুয়াখালীর দশমিনা ও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী জুনায়েত ও সিফাতুল্লাহ সিয়াম ক্লাস চলাকালীন সময়ে অজ্ঞান হয়ে যায় এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। শিক্ষকরা জানিয়েছেন, প্রচণ্ড গরম ও বিদ্যুৎ না থাকার কারণে শ্রেণিকক্ষে এমন ঘটনা ঘটেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার কুমিল্লার মক্রবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী আমেনা আক্তারও শ্রেণিকক্ষে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের মতে, তীব্র গরমের সঙ্গে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে শ্রেণিকক্ষে ফ্যান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা মাথা ঘোরা, বমি ও দুর্বলতায় ভুগছে এবং পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি শিশুদের সুরক্ষায় বিদ্যালয়ের সময়সূচি পরিবর্তন করে দুপুর ১২টার মধ্যে ক্লাস শেষ করার আহ্বান জানিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিষয়টিকে নীতিগত বলে মন্তব্য করেছে, আর প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।