দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার পর চট্টগ্রাম বন্দরে বছরের পর বছর পড়ে থাকা বিপজ্জনক ও মেয়াদোত্তীর্ণ রাসায়নিকের নয়টি কনটেইনার ধ্বংসের জন্য সরানো হয়েছে। কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ তত্ত্বাবধানে কনটেইনার ও কাভার্ডভ্যানগুলো বন্দরের ৪ নম্বর গেট দিয়ে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ওয়াটা কেমিক্যালসের কারখানার উদ্দেশে রওনা হয়।
প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর আগে বিভিন্ন শিল্পকারখানার কাঁচামাল হিসেবে রাসায়নিকগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছিল। মামলা ও অন্যান্য আইনি জটিলতায় আমদানিকারকেরা সময়মতো পণ্য খালাস করেননি। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় এগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায় এবং একাধিকবার নিলামে তোলার পরও বিক্রি হয়নি। ফলে বন্দর ইয়ার্ডে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।
সরানো রাসায়নিকের মধ্যে পাঁচ কনটেইনারে ৯২ মেট্রিক টন মিথানল, এক কনটেইনারে ২৫ মেট্রিক টন সালফিউরিক এসিড, এক কনটেইনারে ৫০০ কেজি নাইট্রিক এসিড এবং দুই কনটেইনারে ৩২ মেট্রিক টন থিনার রয়েছে। কাস্টমস হাউজ চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ বলেন, মোট ১৫০ দশমিক ৮৯ টন রাসায়নিক পরিবেশসম্মতভাবে ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাকি কনটেইনারও ধাপে ধাপে সরানো হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।