ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন সংঘাতের পর কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাড়ায় দেশটিতে বসবাসরত প্রায় ৫২ হাজার ইরানি ক্রমবর্ধমান চাপ ও অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। সম্প্রদায়ের সদস্যরা বলছেন, তারা দুই দেশের সংঘাতের মাঝখানে পড়ে গেছেন এবং শান্তিতে বসবাস ও জীবিকা নির্বাহ করতে চান। ইরান ও কুয়েতের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ২৮ ফেব্রুয়ারি বন্ধ হওয়ায় এক ইরানি ব্যবসায়ী ইরানে থাকা মেয়ের কাছে ফিরতে পারছেন না।
যুদ্ধের সংবেদনশীল প্রভাব সম্প্রদায়ের দৃশ্যমান জীবনেও পড়েছে। কুয়েত সিটির একটি পারস্য রেস্তোরাঁ চলতি বছরের শুরুতে নাম থেকে ‘ইরানিয়ান কুইজিন’ শব্দটি বাদ দিয়েছে, যদিও ব্যবস্থাপনা জানিয়েছে যুদ্ধের কারণে এখনো ব্যবসার ক্ষতি হয়নি। ইরানিরা মাছ ধরার নৌকা, সবজির বাজার ও বেকারিতে কাজ করেন; অনেকে কাপড় ও কার্পেট ব্যবসায় জড়িত এবং ঐতিহাসিক মুবারাকিয়া বাজারে তাদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য।
যুদ্ধের আগে ২০২৪ সালে কুয়েত-ইরান বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০ কোটি ডলার। কুয়েতি কর্তৃপক্ষ সন্দেহভাজন বিপ্লবী গার্ড যোগাযোগ বা নাশকতার অভিযোগে অভিযান ও গ্রেপ্তার চালাচ্ছে এবং গত মাসে একমাত্র ইরানি স্কুল বন্ধ করেছে। স্থানীয় কয়েকজন কুয়েতি বলছেন, ইরানিরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের ইতিহাস ও সমাজের অংশ।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।